যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনায় অচলাবস্থা, কে বেশি ঝুঁকিতে
ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।
ইরান সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি করেছে। যুদ্ধ সমাধানহীন থাকায় অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে।
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।
ওমান উপসাগরে ইরান তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি দুই জাহাজ অচল করেছে। হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে। কাতার-পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রচেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরও উভয় পক্ষের ভেতরে আলোচনার কথা উঠছে—তবে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা হবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
তেল পরিবহনের নতুন পাইপলাইন চালুর পরিকল্পনা করছে সিরিয়া, ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্র।
সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে (রণাঙ্গনে) লড়াই বন্ধের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইরানকে তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের আলোচনা স্থগিত
ইরান মনে করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে আগে পিছু হটেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই।
টানা নবম রাতের মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান, যা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।