
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র, নাকি শুধুই বাগাড়ম্বর
মধ্যপ্রাচ্যে শুধু আকাশপথেই নয়, সমুদ্রপথেও নজিরবিহীন শক্তি বাড়িয়েছে পেন্টাগন।

মধ্যপ্রাচ্যে শুধু আকাশপথেই নয়, সমুদ্রপথেও নজিরবিহীন শক্তি বাড়িয়েছে পেন্টাগন।

ইরানের ওপর হামলা বা গুপ্তহত্যা চালানো হলে দেশকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব নেবেন জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান।

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সে দেশ ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এক মাসের বেশি সময় আগে।

ইরাক যুদ্ধের দুই দশক পর মধ্যপ্রাচ্যে আকাশশক্তির সবচেয়ে বড় সমাবেশ ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরি পাঠাচ্ছে

গত জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ইরানের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি করেছেন।

গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানিরা মানসিক চাপ সামলাতে নিজেদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার মনেই একটা প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে: যুদ্ধ শুরু হলে কী হবে?

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।