ইরানে হামলা যেভাবে চীনের জন্য অনেক সুযোগ তৈরি করছে
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে রাজধানী কারাকাস থেকে তুলে আনার জন্য মার্কিন সামরিক অভিযান চালানোর কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা আলোচনা চালিয়ে আসছিলেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস ও এর আশেপাশে ভোরে ‘বড় ধরনের’ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।
ইরান অভিযোগ করে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রু উদ্ধার অভিযানের আড়ালে তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরি করতে এসেছিল। এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘একটি বিপর্যয়’ হয়েছে বলে ইরান দাবি করেছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সামরিক বাহিনী অভিযানটিকে প্রতারণামূলক ও ব্যর্থ বলে অভিহিত করেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি অবরোধ করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো এখন ইরানের ‘আঘাত সামরিক হামলার আওতার মধ্যে’ রয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে অভিযান শেষে ঘাঁটিতে ফিরেই বিদ্রোহের অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তীব্র বিরোধ ও বাগবিতণ্ডার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) অভিজাত গিভাতি ব্রিগেডের সাবার ব্যাটালিয়নের শত শত সেনাসদস্য ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশি
ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।
৪ রমজান এক কৌশলগত মোড় পরিবর্তনের দিন। এই দিনে একদিকে মদিনার ইসলামের প্রথম সামরিক পতাকা উড্ডীন হয়, অন্যদিকে ১৭০ বছরের ক্রুসেড দখলদারির অবসান ঘটে।
জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ধারাবাহিক হামলায় কয়েক ডজন সেনা আহত হওয়া এবং সামরিক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য গোপন রাখছে পেন্টাগন। সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। সামরিক অভিযানের স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে নাম না প্রকাশের শর্তে
ইরানের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের শর্তগুলো অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ এসেছে। ট্রাম্প পুরোদমে সামরিক অভিযানের চিন্তা করছেন।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬ শতাংশ নাগরিক ইরান যুদ্ধ থেকে দ্রুত সরে আসার পক্ষে। ৬০ শতাংশ সামরিক অভিযানের বিরোধী। যুদ্ধের ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে।
খামেনিকে হত্যার পরও অনেক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা সন্দিহান, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে দুই দেশের যৌথ সামরিক অভিযানে আদৌ শাসনগোষ্ঠীর পরিবর্তন হবে কি না।