গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে তিন ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ
বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গত ২৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
সংবাদপত্রটির মূল সংস্থা ‘প্রতিদিন মিডিয়া নেটওয়ার্ক’ জানায়, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা পত্রিকাটি সম্পর্কে সমালোচনামূলক মন্তব্যের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সিপিজে সাংবাদিক তানবিরুল মিরাজ রিপনকে হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। গত ৩০ মার্চ কক্সবাজারে ডিজিএফআই কার্যালয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংগঠন সরকারের কাছে সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি বন্ধের দাবি তুলেছে।
বিখ্যাত ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের মূল প্রতিষ্ঠানের বড় অংশের মালিকানায় পরিবর্তন এসেছে।
সাংবাদিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সংবাদে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নাগরিক সংগঠন সুজন।
চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
সময়ের আলো পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা বাহিনীর অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ।
সাব্বির আহমেদ বলেন, এরপর রাত সাড়ে নয়টার দিকে সেনাসদস্যরা খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকায় তাঁদের কার্যালয়ে এসে ভেতরে ঢুকে পড়েন।