ঢাকার সঙ্গে রেললাইন স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত মানিকগঞ্জবাসী
জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রেলপথ সংযোগ শুধু একটি যোগাযোগ প্রকল্প নয়, বরং জেলার অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
জেলার স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রেলপথ সংযোগ শুধু একটি যোগাযোগ প্রকল্প নয়, বরং জেলার অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।
সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম।
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া স্টেশন থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে এ কাজ বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি জানান। সভায় রেলপথ প্রতিমন্ত্রী ও রেলওয়ের মহাপরিচালকও সময়সাপেক্ষে কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেন।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশব্যাপী যানজট নিরসন, পশুর হাটের ব্যবস্থাপনা, মহাসড়ক–রেলপথ–নৌঘাটের ব্যবস্থাপনাসহ চামড়ার মূল্য নির্ধারণ নিয়ে দীর্ঘ সভা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।
স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় রেল। এ জন্য ১ এপ্রিল সভা করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সভায় ট্রেন চালু, রেললাইন নির্মাণ ও সংস্কার, ইঞ্জিন-বগি কেনা ও সংস্কারের উদ্যোগ বা পরিকল্পনা কোন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হবে কিংবা তদারক করা হবে, তারও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের দুই লেনের সড়ক আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতরে নদীপথে ঘরমুখী মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে লোকাল ও মেইল ট্রেন বন্ধে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের যাতায়াত সংকট তীব্র হয়েছে।
একসময় ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে ছয়টি লোকাল ও মেইল ট্রেন চলাচল করত। ১০-২০ টাকা ভাড়া দিয়ে সেসব ট্রেনে মানুষ পৌঁছে যেতেন দূরের বাজারে, কর্মস্থলে কিংবা বাড়িতে।
কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনের পরিকল্পিত সেবাগুলো উদ্বোধনের আড়াই বছর পরও চালু না হওয়ায় যাত্রী ও পর্যটকরা বঞ্চিত হচ্ছেন।