ট্রাম্পের নতুন শুল্কে কার লাভ, কার ক্ষতি
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট আগের শুল্ক আরোপ অবৈধ ঘোষণা করার পর অন্য আইনে ১০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক দিন পর তা আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট আগের শুল্ক আরোপ অবৈধ ঘোষণা করার পর অন্য আইনে ১০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক দিন পর তা আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেন।
তবে দীর্ঘ মেয়াদে প্রতিযোগিতা নির্ভর করবে উৎপাদনশীলতা, সরবরাহ সময়সীমা, মান-অনুবর্তিতা এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতার ওপর; শুধু শুল্কের ওপর নয়। বৃহত্তর পরিসরে এই রায় নির্বাহী বিভাগের বাণিজ্যক্ষমতার সাংবিধানিক সীমা পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা ভবিষ্যতে শুল্ক নির্ধারণে কংগ্রেসের অধিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে পারে।
গ্রিনল্যান্ড দিতে রাজি না হওয়ায় ইউরোপের ৮টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার।
যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবহৃত জেনেরিক ওষুধের প্রায় ৪০ শতাংশই আসে ভারত থেকে; ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ভারতীয় ওষুধ রপ্তানি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
ইউরোপের ডিজিটাল করনীতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর কর আরোপ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প যত চেষ্টাই করুন না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের ঘাটতি বেড়েই চলেছে। ২০২৫ সালে তা ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ৬ বিচারপতির ওপর চটেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হওয়া বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর বার্তা দিয়ে গেছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের পণ্যে আরও ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্য আমদানি কমাতে ব্যর্থ হয়েছে এই দেশগুলো।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিতে ‘গোলামির চরিত্র’ প্রকাশ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
মেক্সিকো, চীন, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যে আরোপিত বাড়তি শুল্কের প্রায় ৯০ শতাংশই বহন করেছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো।