নারী বাস, সাইকেলসেবা, মনোরেল, ঢাকায় গণপরিবহনে আর কী কী নতুন আসছে
নারী বাস, সাইকেলসেবা, মনোরেলসহ ঢাকার পরিবহন খাতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
নারী বাস, সাইকেলসেবা, মনোরেলসহ ঢাকার পরিবহন খাতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
রাজধানীর পাঁচটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে জ্বালানি তেলের জন্য কোথাও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি।
শৃঙ্খলা না থাকার কারণে পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে বাসগুলোর বাহ্যিক অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। গাড়ির বয়স থাকলেও অব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মনে হয় সেটি মেয়াদোত্তীর্ণ।
সরকারের নীতি গাড়ি কেনায় উৎসাহ দিয়েছে। এ কারণে বেড়েছে যানজট।
ঢাকার পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণ আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে গেছে। কিন্তু বিশৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্য আগের মতোই আছে।
২০০৩ সালে ঢাকা ও চট্টগ্রামে নামে সিএনজিচালিত অটোরিকশা। দুই দশক ধরে চলছে ভাড়ার নৈরাজ্য।
বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এবং আন্তজেলা বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
ডিজেল, অকটেন, পেট্রল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর পরও মানুষের তেল পাওয়ার ভোগান্তি দূর হয়নি।
যানবাহনের সংখ্যা গুনেই বোঝা যায় ঢাকার এই দুটি ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য অপেক্ষমাণ লাইন কতটা লম্বা।
রাজধানীতে তেলের সংকটে চালকেরা দীর্ঘ লাইনে মরিয়া। আরিফ হোসেন গত তিনদিন ৪-৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফিরে গেছেন তেল না পেয়ে। আজ যত দেরিই হোক তেল নেবেন বলে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে।
রাজধানীর আসাদ গেটে ২২ ঘণ্টা ধরে তেলের লাইনে অপেক্ষায় রয়েছেন ৬৩ বছরের গাড়িচালক শঙ্কর চন্দ্র দাস। তালুকদার ও সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে লাইন কয়েক কিলোমিটার লম্বা। চালকরা ক্লান্তি ও হতাশায় তেলের জন্য অপেক্ষা করছেন।