একে তো জোকস বলছি, তাও আমি, সেটা তো অবশ্যই দামি: চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা
ছোটবেলা থেকে যখন বিশ্বকাপ দেখি, এটা যে চার বছর পরপর আসে, এটাই বুঝতাম না। যখন বোঝা শুরু করলাম, দেখি আশপাশে সবাই ম্যারাডোনা, ম্যারাডোনা করত।
ছোটবেলা থেকে যখন বিশ্বকাপ দেখি, এটা যে চার বছর পরপর আসে, এটাই বুঝতাম না। যখন বোঝা শুরু করলাম, দেখি আশপাশে সবাই ম্যারাডোনা, ম্যারাডোনা করত।
“হ্যান্ড অব গড” আর “গোল অব দ্য সেঞ্চুরি”—চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের রং বদলে দিয়েছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা।
আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়ার একটা বড় কারণ হচ্ছে, চে গুয়েভারার জন্ম হয়েছিল আর্জেন্টিনায়। সে কারণেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। তারপরে তো ম্যারাডোনা ছিল সেই দলে।
দাড়িওয়ালা বুড়াটা আবার কে? ফিফার কেউ? পরে বোঝা গেল, ম্যারাডোনা বলছেন যিশুর কথা!
পেলে, ম্যারাডোনা, মেসি, বেকেনবাওয়ার, ববি মুর, জিদান এমন কত কিংবদন্তির হাতের স্পর্শ এই ট্রফিতে। এই ট্রফির সঙ্গে কত ফুটবলারের হাসি, কান্না আর আবেগের গল্প জড়িত।
২৫ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে উড়ে আসা একটি বলে ব্যাকভলি করল শৌনক। ও শটটা নিয়েই পড়ে গিয়েছিল। সারা মাঠে যেন বোমা ফাটল। গো-ল! এর ঠিক ১০ মিনিট পর নিজেদের হাফ থেকে একটা বল পেল শৌনক। সেই বল নিয়ে আচমকা দিল দৌড়। কেউ বুঝতেই পারেনি, এত দূর থেকে কাউকে পাস না দিয়ে ও চলে যাবে প্রতিপক্ষ দলের গোলপোস্টের কাছে। কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার! দেখা গেল কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপক্ষ দলের পাঁচজন খেলোয়াড়কে কাটিয়ে গোলকিপারের কাছে এসে হাজির হয়েছে শৌনক। গোলকিপার বেরিয়ে এসেছিল পোস্ট থেকে। শৌনক আলতো করে বলটি ওর মাথার ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দিল জালে।
ছোটবেলা থেকেই নাদিয়া আহমেদ আর্জেন্টিনার সমর্থক। ম্যারাডোনার গল্প শুনে জন্ম নেওয়া আর্জেন্টিনাপ্রেম বাতিস্তুতা হয়ে লিওনেল মেসির প্রজন্মে এসেও অটুট রয়েছে।
গিওর্গি হ্যাজি আশি ও নব্বইয়ের দশকে বিশ্বসেরা ফুটবলারদের একজন। রোমানিয়া জাতীয় দলে তিনি মিরচা লুচেস্কুর স্থলাভিষিক্ত হলেন।