সময় ব্যবস্থাপনায় মুমিনের ৩ কৌশল
সময় ব্যবস্থাপনা মানে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টাকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে কম সময়ে বেশি কাজ করার একটা দক্ষতা। আজ এমন কিছু অভ্যাসের কথা বলা হলো।
সময় ব্যবস্থাপনা মানে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টাকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে কম সময়ে বেশি কাজ করার একটা দক্ষতা। আজ এমন কিছু অভ্যাসের কথা বলা হলো।
ভ্লগিং সংস্কৃতির কারণে মানুষের ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য এখন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ বা মানসিক প্রশান্তি নয়; বরং তা হয়ে উঠেছে কেবলই লাইক, ভিউ ও ভার্চ্যুয়াল জগতে নিজের আভিজাত্য জাহির করার মাধ্যম।
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
নিজের পাপরাশি থেকে মুক্ত হতে আল্লাহ–তাআলার কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করা, এটা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দের একটি আমল।
ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।
অপরাধী যখন দেখে যে তার অন্যায় সত্ত্বেও দুনিয়াতে তার ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি এবং মান-সম্মান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন সে এক ধরনের বিভ্রান্তিতে ভোগে।
এই সংবাদে ওমরের মন ভরে গেল আনন্দে। তাঁর মেয়ে শুধু পুনর্বিবাহের সুযোগই পেলেন না, বরং তিনি হয়ে গেলেন মুমিনদের জননী, ইসলামের যাকে বলে উম্মুল মুমিনিন।
কিছু দুঃখ আছে যা সবাইকে বলা যায় না; আবার কিছু ব্যথা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। এ সময় মানুষ এমন কাউকে খোঁজে, যার কাছে নির্ভয়ে সব বলা যায়।
তওবা করার সময় যদি মনে এই ধারণা থাকে যে সুযোগ হলে আবারও এই কাজ করব, তবে তা আদৌ তওবা বলে বিবেচ্য হবে না এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হবে না।
ব্যাকুলতা অর্জনের জন্য প্রথম শর্ত আল্লাহকে চেনা, যাকে বলে ‘মারেফাত’। যখন মানুষের অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত হয়, তখন সে বিপদের মাঝেও আল্লাহর দান দেখতে পায়।