মায়ার সেই আঙিনায়
প্রতি ঈদের অন্তত মাসখানেক আগে থেকেই বারবার একই প্রশ্ন শুনতে হতো, ‘বাড়ি আইবি কবে?
প্রতি ঈদের অন্তত মাসখানেক আগে থেকেই বারবার একই প্রশ্ন শুনতে হতো, ‘বাড়ি আইবি কবে?
তাঁর কাছে বোধিসত্ত্ব হলেন এমন একজন আদর্শ ব্যক্তি, যিনি প্রজ্ঞা বা জ্ঞান এবং করুণার পূর্ণাঙ্গ সমন্বয় সাধন করেছেন।
উনি তখন ২০০ বছরের পুরোনো সেই বিশাল কারাগারের একমাত্র রাজনৈতিক বন্দী।
খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে পারস্য সম্রাট খসরু নওশেরওয়া সংস্কৃত পঞ্চতন্ত্রের একটি পাহলভি অনুবাদ করিয়েছিলেন কালিলা ওয়া দিমনা নামে।
ওয়াইল্ড তাঁর চোখে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকদের একজন হওয়ার অযোগ্য। জীবনানন্দ দাশের মতে, অস্কার ওয়াইল্ড ‘বিচিত্র সাহিত্যিক ধুরন্ধর’, যার শক্তি ছিল কিন্তু প্রতিভা ছিল না।
আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’
একই পরিস্থিতিতে ও পরিবেশে দীর্ঘদিন একই ধরনের কাজে নিয়োজিত থাকার ফলে এক ধরনের অভ্যাস, রীতি, দৃষ্টিভঙ্গি, ছন্দ, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ গঠিত হয়।
দ্য লিটল প্রিন্স সাঁ-জুপেরিকে অমরত্ব দিয়েছে। আলোড়িত করেছে, করে যাচ্ছে অগণিত পাঠকের মন।
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।
প্রাচ্যীয় বর্ণনাত্মক শিল্পে, বিশেষত বাংলা লোকনাট্যে, গল্প বলার ভঙ্গিটি বহুলাংশে অনুলম্ব, যেখানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে এক মসৃণ যাতায়াত দেখা যায়।
জনাবাই এমন এক নারী, যিনি ভক্তি আন্দোলনের গভীরতম স্রোতে দাঁড়িয়ে থাকা এক শক্তিশালী সত্তা। দাসত্বের জীবনে থেকেও কবিতা, ঈশ্বরপ্রেম আর মানবসমতা—এই তিনটিকে তিনি অনুপমভাবে মিলিয়েছেন। জনাবাইয়ের জীবন ও কবিতা নারী, নিম্নবর্ণ ও শোষিত মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং সামাজিক প্রতিবাদের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত বছর ধরে জীবন্ত রয়েছে।
ফুটবল নিয়ে স্মৃতিচারণা ও পর্যবেক্ষণ—একজন লেখকের ছেলেবেলার বৃষ্টিস্নাত খেলা থেকে বিশ্বকাপের আধুনিকতা, গণতন্ত্র-সমতা-ব্যবসার টানাপড়েন পর্যন্ত।