
‘শহীদের শোকসভা’ ঘিরে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ইরান
সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শুধু জানুয়ারিতেই নিহত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। এর মানে, সামনে আরও বহু শোকসভা এবং সম্ভাব্য বিক্ষোভ।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শুধু জানুয়ারিতেই নিহত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। এর মানে, সামনে আরও বহু শোকসভা এবং সম্ভাব্য বিক্ষোভ।

ট্রাম্প যতই বেপরোয়া ও রাজনৈতিক শুদ্ধতার তোয়াক্কা না করুক, তাঁর অনেক বিতর্কিত বক্তব্য ও পদক্ষেপ আসলে অত্যন্ত পরিকল্পিত।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত লাখ লাখ নথিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। এমন কিছু নেই, যা দেখিয়ে বলা যাবে—এপস্টেইন নিয়মিত সিআইএ, এমআই ৬ বা মোসাদের দপ্তরে যেতেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাঁর সে প্রয়োজনও ছিল না। সাবেক ও বর্তমান রাষ্ট্রদূত, বিশ্বনেতা ও ধনকুবেররাই তাঁর কাছে যেতেন।

১৯৫৩ সালের আদি পাপ ওয়াশিংটনকে শিখিয়েছিল টাকা দিয়ে রাজপথ কেনা যায় এবং নেতৃত্ব সরানো যায়। দীর্ঘমেয়াদি ফলের কথা কেউ ভাবেনি। আজ সেই বুমেরাং ফিরে আসছে ধারালো হয়ে।

ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।