বিশ্ববাজারে তেলের দাম এখন ১১৫ ডলার, পতন এশিয়ার শেয়ারবাজারে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ) বলছে, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়বে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(আইএমএফ) বলছে, তেলের দাম প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়বে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশও তার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।
ছয় বছর আগে করোনা মহামারির পর এক সপ্তাহে তেলের দামের এত বড় উল্লম্ফন আর দেখা যায়নি।
যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিন ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, দুটি জাহাজ অজ্ঞাতনামা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ওপেকভুক্ত ও তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদক ইরানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল থেকেই সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি আছে।
গত দুই দিনের উত্থানের পর আজ বিশ্ববাজারে ডলার সূচকের মান ৯৭ দশমিক ১৬ পয়েন্টে প্রায় অপরিবর্তিত আছে।
বিনিয়োগকারীরা দেখছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ সুদহার কমানোর বিষয়ে কী অবস্থান নেন।
গত সপ্তাহে সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার মূল কারণ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প কাকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নেন, তা নিয়ে আশঙ্কা।
ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার আরও কমাতে পারে—এমন প্রত্যাশা, শুল্কনীতি ঘিরে অনিশ্চয়তা, নীতিনির্ধারণে অস্থিরতা—এসব নানা কারণেই ডলারের দাম কমছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই মুহূর্তে একমাত্র নিশ্চিত বিষয় হলো অনিশ্চয়তা। এই অনিশ্চয়তাই সোনার পালে হাওয়া দিচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প যেভাবে বিশ্বব্যবস্থাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলছেন, তাতে বছরের শুরুতেই সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সম্প্রতি ট্রাম্প তেহরানকে আবারও সতর্ক করেছেন। বিক্ষোভকারীদের হত্যা বা পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।