
শ্রীলঙ্কায় দ্বিতীয় দফায় তেলের দাম ২৫% বাড়ানো হলো
গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।

গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার সরকার খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম ৮ শতাংশ বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। এ ছাড়া ব্যবহার সীমিত করতে জ্বালানি তেল কেনার সীমা বেঁধে দেয় দেশটি।

এশিয়ার অনেক দেশ ইতিমধ্যে তাদের জ্বালানি ব্যবহার সীমিত করার ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশে অবশ্য শীতাতপনিয়ন্ত্রিণ যন্ত্র ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয় দেশ—সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, ওমান, বাহরাইন ও কুয়েত থেকেই আসে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চালানোর সময় থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের জাতীয় গড় দাম গ্যালনপ্রতি ৯০ সেন্ট বেড়েছে।

জ্বালানি তেল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ডলারের দাম বাড়ছে। আমদানিতে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাড়তি জ্বালানি চেয়ে ভারত সরকারকে আজ বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ

ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সাত সদস্যের এই মন্ত্রিসভা কমিটির প্রধান করা হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার ১০ দিনের মাথায় আজ সোমবার ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় পৌঁছেছে একটি ট্যাংকার। এক সপ্তাহের মধ্যে আসবে আরও চারটি। এসব ট্যাংকারে ১ লাখ ৪৭ হাজার ২০৫ টন ডিজেল রয়েছে। এশিয়ার দেশগুলো থেকে এসব পরিশোধিত ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে।

কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ‘লিব্রেথা’ নামের একটি ট্যাংকারের। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘিরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করায় ট্যাংকারটি এখন পারস্য উপসাগরেই আটকে আছে।

বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো পণ্য যাচ্ছে না। আটকা পড়েছে সহস্রাধিক কনটেইনার। আমদানি-রপ্তানিতে অচলাবস্থা।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এ ধরনের চুক্তি কীভাবে একটি অনির্বাচিত সরকার করে যেতে পারল বা এই দায় কীভাবে একটি নির্বাচিত সরকারের কাঁধে দিতে পারল, তা বোধগম্য নয়।