গান–কবিতা–আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ
ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গান ও আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ করল উদীচী।
ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গান ও আলোচনায় কামাল লোহানীকে স্মরণ করল উদীচী।
আমেরিকার ফুলব্রাইট ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট (এফএলটিএ) প্রোগ্রামে ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা শিক্ষকতার সুযোগ পাবেন।
ক্লিন্টন বুথ সিলি যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় ভাষা ও সভ্যতা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক। বাংলা সাহিত্যের এই গবেষক লিখেছেন কবি জীবনানন্দ দাশের গবেষণামূলক জীবনী, ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য। ইউপিএল থেকে সম্প্রতি পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই বরিশাল অ্যান্ড বিয়ন্ড: এসেজ অন বাংলা লিটারেচার। ২১ জুন ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হলো তাঁর এই সাক্ষাৎকার, নিয়েছেন প্রিয়ম পাল।
১৮৩৭ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আইন নং ২৯–এর মাধ্যমে ফারসির পরিবর্তে ওডিশি, বাংলা ও হিন্দুস্তানি (উর্দু) ভাষাকে আদালতের ভাষা করা হয়।
হুমায়ূনের লেখাতেই প্রথমবারের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ফুটে উঠেছে পূর্ব বাংলার নিজস্ব ভাষাভঙ্গি ও কালচার। আধুনিক বাংলা সাহিত্য তৈরি হয়েছে কলকাতার বর্ণহিন্দুদের হাতে। ভাগীরথীতীরের ভাষাটি নগরকেন্দ্রিক বর্ণহিন্দুদের মুখের ভাষা। এই ভাষার পরিশীলিত ও প্রমিত রূপ গত দেড় শ বছর আধুনিক বাংলা গদ্যের বাহনরূপে চর্চিত। পূর্ব বাংলার মানুষ এই ঘটি বাংলাকে কখনো আত্মস্থ করতে সক্ষম হয়নি।
জহির রায়হান—বাংলা চলচ্চিত্রের সাহসী কণ্ঠ, যিনি সিনেমাকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম ভাবেননি, ভেবেছিলেন প্রতিরোধের ভাষা হিসেবে।
বাংলা ১ম পত্র: সৃজনশীল প্রশ্ন
১ ঘণ্টা ৫১ মিনিটের সিনেমাটির শুধু নামই নয়, ভাষাও বদলে গেছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের গল্পে ব্যবহার করা হয়েছে কলকাতার ভাষা।
প্রতিবাদী গানের জন্য পুলিশের লাঠির বাড়িও খেয়েছেন আজম খান। তবু মানুষের জন্য কথা বলে গেছেন এই পপ সংগীতশিল্পী। যা পরবর্তী সময়ে তাঁর কাছে প্রতিবাদের ভাষা।
বাংলা ভাষায় পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের অবদান কেবল অনুবাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না; হাদিস, সিরাত, ইসলামের ইতিহাস, সুফিবাদ ও ফারসি সাহিত্যের বহু গ্রন্থ অনুবাদ-সংকলন ও মৌলিক রচনার মধ্য দিয়ে তিনি উনিশ শতকের বাংলা জ্ঞানচর্চায় স্বতন্ত্র অধ্যায় তৈরি করেন।
সিমোন দ্য বোভোয়ারের মহাগ্রন্থ ‘দ্বিতীয় লিঙ্গ’ পড়তে গিয়ে দেখি জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বিশ্লেষণ ও শিল্পকলার অসামান্য রূপ বইটি, যা বাংলা ভাষায় কখনো হবে না। কয়েক মাসে আমি আনন্দে উল্লাসে পড়ে উঠি বিপুলসংখ্যক বই, সম্ভবত চল্লিশ হাজার পাতা; এবং আমার মনে হয় আমি প্রস্তুত, এখনই একটি বই লিখতে পারি, যে বই বাংলায় লেখা হয়নি।
মুসলিম হওয়া এবং বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে ভারতীয় নাগরিক সাইদা ফকিরকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে ফিরিয়ে আনতে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তার পরিবার।