মুনীর চৌধুরীর ‘নির্বাচিত নাটক’ : ইতিহাসের শিল্পিত রূপ
নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।
নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।
কিছু সত্য ঘটনা উপজীব্য করে, সত্য ও কাল্পনিক জগতের ভিয়েনে এই নস্টালজিক স্মৃতির শহরে কবিদের জীবনের গল্প লেখা হয়েছে সম্রাট ও প্রতিদ্বন্দ্বীগণ উপন্যাসে।
বইটা খুলতেই প্রথম পাতায় যেন একটা নরম, চুপচাপ বৃষ্টির ছোঁয়া লাগে। অলকানন্দা, যাকে সবাই অলকা বলে ডাকে। একজন অভিনেত্রী, কলেজজীবন থেকে শুরু করে সিনেমার জগতে তার যাত্রা।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ উপস্থাপক, সম্পাদক, সংগঠক হিসেবে যতটা পরিচিত, গল্পকার হিসেবে ততটা পরিচিত নন। তাঁর চারটি গল্প পড়ে খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। বইয়ের ভূমিকায় লেখক বলেছেন, এই ৪টি গল্প ৩০ বছরজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে লেখা। এমন গল্প যিনি লেখেন, তিনি কেন আরও নিয়মিত গল্প লেখেননি?
কল্যাণী রমার ঔপন্যাসিকা (কিংবা বড় গল্প) বাইপোলার টিয়ারস: সূর্যাস্তের আলো কেবল একটি ক্লিনিক্যাল কেস স্টাডি বা প্রবাসজীবনের আখ্যান নয়; এটি মূলত মানুষের অবচেতনের অতলান্ত গহ্বর, অস্তিত্ববাদী সংকট এবং সেখান থেকে কবিতার মতো জেগে ওঠার এক পরম বেদনার্ত দলিল।
মুসলিম ঐতিহাসিকেরা ইতিহাস লিখনপদ্ধতিতে দুটি প্রধান বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। ইতিহাসকে রূপকথা বা অতিরঞ্জন থেকে মুক্ত করে তথ্যভিত্তিক ও যৌক্তিক বিজ্ঞানে রূপান্তর করার কৃতিত্ব মুসলমানদের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, শুধু শাস্তির মাধ্যমে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব নয়; বরং যেসব সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়, সমাজকে সেসব বিষয়ের সুরাহা করতে হবে।
গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।
পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শেখ মুজিব ও জাতীয় চার নেতার প্রত্যাবর্তনের সাবলীল বর্ণনা পাওয়া যায় বইটিতে। ১৯৭২-৭৫ সময়ে তাঁর মাধ্যমে যুবলীগের সূচনা। ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শেখ মুজিব ও নিজ দলের নেতাদের সমালোচনা করতেন।
এখন সড়ক ও সমুদ্র পথের চেয়ে আকাশপথে অনেক বেশি হজযাত্রীর আগমন ঘটে। অথচ ১০০ বছর আগেও হজ সফরের জন্য সড়ক ও নৌপথের ওপরই নির্ভর করতে হতো।