এশিয়ায় বিশ্বকাপ, রোনালদোর পাপমোচন এবং ব্রাজিলের ‘পেন্টা’
নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।
নতুন শতাব্দীর প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি ফুটবল ইতিহাসের দুই পরাশক্তি—ব্রাজিল ও জার্মানি। ব্রাজিল তখন চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, জার্মানি তিনবারের।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়ের পেছনে ভাগ্যের ছোঁয়া কিংবা রেফারির কৃপাদৃষ্টি—কোনো কিছুরই বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। বরং পুরো টুর্নামেন্টে ৩টি লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল তাদের।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন কিছু গল্প নিয়ে এ আয়োজন—
যে দল কখনো প্রথম বিভাগে খেলতে পারেনি, সে দলটিই ঘটনাচক্রে হয়ে উঠল বিশ্বকাপের এক মজার অধ্যায়ের অংশ।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে ডোপিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়া প্রথম খেলোয়াড় ছিলেন আর্নস্ট ইয়ান-জোসেফ। হাইতির এই ফুটবলার ১৯৭৪ বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ। যে গল্পের কোনোটিতে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক।
বিশ্বকাপ মানে তো শুধু মাঠের লড়াই নয়; এর আশপাশে জড়িয়ে থাকা অসংখ্য গল্পের কোলাজ।
মজা করে বলতেন, ‘আমার গোলগুলো আসলে একটি জুতার ভেতরে দুটি মনের মিলনে অনুপ্রাণিত হয়েছিল।’
১৯৫৪ বিশ্বকাপে হাঙ্গেরিকে হারিয়ে জার্মানির চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প, যা ইতিহাসে ‘মিরাকল অব বার্ন’ নামে পরিচিত।