
কবিতায় মেহনতি মানুষের মুখ
কবিতায় প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেসব মুখ, যারা ইতিহাস গড়ে, অথচ ইতিহাসে প্রায়ই অনুল্লিখিত থেকে যায়। মহান মে দিবসের প্রেক্ষাপটে এ রচনা

কবিতায় প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেসব মুখ, যারা ইতিহাস গড়ে, অথচ ইতিহাসে প্রায়ই অনুল্লিখিত থেকে যায়। মহান মে দিবসের প্রেক্ষাপটে এ রচনা

১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে জন ডিগবি রংপুরের কালেক্টর নিযুক্ত হলে রামমোহনও তাঁর সঙ্গে আসেন এবং ১৮১৪ সাল পর্যন্ত রংপুরে অবস্থান করেন।

র্যাঁবো পড়ার আগের ও পরের মানুষ একেবারেই আলাদা। বিশেষ করে নরকে এক ঋতু পড়ার পর কবিতাকে মনে হবে গমগমে কোনো আগুনে অনুভূতি, যা আপনার শরীরের মাংসের স্তর ভেদ করে পৌঁছে যায় অনেক দূর পর্যন্ত।

রঘু রাইয়ের কাজের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সাক্ষী’ হয়ে থাকার মানসিকতা। তাঁর কাছে তিনি নিজে দৃশ্যের নির্মাতা নন; বরং একজন নীরব পর্যবেক্ষক, যিনি ভাগ্যক্রমে জীবনের স্পন্দনটুকু ধারণ করতে পারেন।

কাজেই আমরা বেলা তারের ছবির পরিস্থিতিটাকে বদলে ফেলে নিৎশের তুরিন নাটক নিয়ে ভাবতে পারি। ধরা যাক, মানুষের জীবনে ছবির ওই নিরবচ্ছিন্ন তুষারঝড় নেই, কুয়ার পানি শুকিয়ে যায়নি, আলো নেভেনি কিংবা লন্ঠনের তেলও শেষ হয়ে যায়নি।

বাউলদের অন্তর্গত সত্য অনুসন্ধানের ধারণা—যেখানে ঈশ্বরকে খুঁজে পাওয়া যায় ‘দেহ-অন্তরে’, যেখানে প্রেম মানে আত্মিক সংযোগ এবং যেখানে সামাজিক শ্রেণি, লিঙ্গ বা ধর্মীয় পরিচয় কোনোটিই মানুষকে আলাদা করার ভিত্তি নয়—শরিয়তপন্থী দৃষ্টিভঙ্গির চোখে সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করে।

নতুনকে আবাহন করার জন্য আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। নববর্ষের বাণী নতুনকে সাদর সম্ভাষণ জ্ঞাপনের বাণী। আমি তরুণদের জীবনের কর্মপথে বলিষ্ঠ পদক্ষেপে অগ্রসর হওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।

মিম-সংস্কৃতি ও পয়লা বৈশাখ—দুটি ভিন্ন মাধ্যম হলেও উদ্দেশ্য এক—মানুষের অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করা এবং সময়ের ভাষায় তাকে জীবন্ত রাখা। উভয়ই আমাদের সংস্কৃতির ধারাবাহিকতার অংশ।

বামপন্থীদের দুটি পক্ষই ধর্মীয় পরিচয়বাদের রাজনীতির বিষয়ে সচেতন। কিন্তু বাঙালি জাতীয়তাবাদী পরিচয়বাদের রাজনীতি নিয়ে তাঁদের অপর অংশটি কি সমান সচেতন? সচেতন হলে এই পরিচয়বাদ রক্ষার নামে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সমর্থন কীভাবে সম্ভব?

আবুল হুসেনের প্রয়াণের পর মাসিক মোহাম্মদীতে সুফী মোতাহার হোসেনের অগ্রন্থিত নিবন্ধ ‘আবুল হুসেন’ প্রকাশিত হয়েছে। এতে বর্ণিত হয়েছে আবুল হুসেনের সংগ্রামী জীবন, সাহিত্য-সাধনা ও সমাজসেবার কথা। নিবন্ধের সঙ্গে তাঁর একটি বিরল ছবি রয়েছে।

গঠনগত দিক থেকে ‘মৃত আত্মা’ ইউরোপীয় পিকারেস্ক ধারায় রচিত। এখানেও নৈতিকভাবে দ্ব্যর্থক নায়কের বিচ্ছিন্ন ও পর্বভিত্তিক অভিযাত্রা অনুসরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের ভাস্কর নভেরা আহমেদকে ভারতের অমৃতা শেরগিল ও মেক্সিকোর ফ্রিদা কাহলোর সঙ্গে তুলনা করে তাঁদের শৈল্পিক ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে। ষাটের দশকের প্রেক্ষাপটে নভেরার জীবন, কাজ ও প্রগতিশীল চিন্তা বর্ণিত। যদিও সে সময়টা খুব দীর্ঘ ছিল না। তবু তাঁর জীবনযাপন, আচার–আচরণ, শাড়ির প্রতি ভালোবাসা, সর্বোপরি তাঁর কল্পনাজগতে ছিল এই দেশ।