চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফরে সেনাপ্রধান
সফরকালে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীপ্রধানের চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা রয়েছে।
সফরকালে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীপ্রধানের চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা রয়েছে।
ভারতের সাবেক কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি বলেছেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত দ্বিপক্ষীয় সমস্যাগুলো সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এদিকে ঢাকা বলেছে, সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে দিল্লির জবাবের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক চিত্র আরেকবার ফুটে উঠল গত বৃহস্পতিবার, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বাসভবনের আঙিনায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান প্রথম দিল্লি সফরে ভারতের এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও একান্ত বৈঠক করেন। দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
ভারত সরকারের একাধিক সূত্র বলেছে, ব্রিকস সম্মেলন এবং দ্বিপক্ষীয় সফর—দুই ক্ষেত্রেই তারেক রহমানকে দেওয়া আমন্ত্রণ বহাল রয়েছে। এখন সফরের সময় নির্ধারণের বিষয়টি ঢাকার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান শনিবার সন্ধ্যায় আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানেরা কথা বললে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনেক সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে। পাশাপাশি সম্ভাব্য জাপান ও ভারত সফর নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কোনো সফরের চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়নি।
মস্কোয় রুশ ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-রাশিয়া সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির বিষয়ে ঢাকার বার্তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পৌঁছে দিয়েছেন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী; একই সঙ্গে ব্রিকস আউটরিচ ও দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণসংক্রান্ত তথ্যও জানানো হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে।
ভিসা সহজীকরণ, ফ্লাইট বৃদ্ধি এবং মালয়েশিয়ার আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ নিয়ে দুই দেশের পর্যটন মন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।