জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না
অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে জ্বালানি তেলের মজুত ধরে রাখা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত আমদানি করতে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে (ডিপিএম) তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
অতিরিক্ত চাহিদা মেটাতে জ্বালানি তেলের মজুত ধরে রাখা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত আমদানি করতে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে (ডিপিএম) তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশে মজুত সম্প্রসারণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ নিশ্চিত করার প্রস্তাব।
এই মার্কিন পদক্ষেপের ফলে ভারত, চীনসহ রাশিয়ার তেল–গ্যাসের প্রধান ক্রেতা দেশগুলোর ওপর বড় ধরনের শুল্ক আরোপের ঝুঁকি তৈরি হলো।
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভেস অব কনজিউমারসের পরিচালক জোয়ান হসু বিবৃতিতে বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হওয়ায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীর বাজারে এখন লিটারে ১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেলের দামও একইভাবে উর্ধ্বমুখী হয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ বেশ কিছু দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক (ট্যারিফ) আরোপ করার একটি বিলে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, গত মার্চ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত আমদানি করা জ্বালানি তেলের এলসি পরিশোধের হিসাবে বিপিসির প্রকৃত লোকসানের পরিমাণ ১৭ হাজার ৩৯ কোটি টাকার বেশি।
দ্রুততম সময়ে এলপিজি আমদানির জন্য ১১টি দেশের সরকারি তেল কোম্পানির কাছে এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে বিপিসি।
দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি আমদানির পাশাপাশি সার, চাল, গম ও সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
মার্চে জ্বালানি সরবরাহ হলেও মজুত শেষের দিকে। এপ্রিলে সূচি মেনে আমদানি দরকার। ডিজেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ, সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম অস্থির, দেশে আমদানি খরচ বেড়ে লোকসান হচ্ছে হাজার কোটি টাকা। যুদ্ধবিরতিতে দাম কমলেও অনিশ্চয়তায় আবার বেড়েছে। সুফল পেতে সময় লাগবে বলছেন খাতের সংশ্লিষ্টরা।