ছোলা–চিনিতে স্বস্তি, ভোজ্যতেলে শঙ্কা
আমদানিকারকেরা বলছেন, রোজার আগে পাইপলাইনে থাকা পণ্য দেশে এসে পৌঁছাবে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
আমদানিকারকেরা বলছেন, রোজার আগে পাইপলাইনে থাকা পণ্য দেশে এসে পৌঁছাবে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরবরাহব্যবস্থা ঠিক রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
মার্কিন শোধনাগারগুলো এখন সরাসরি পারস্যের পেট্রোলিয়াম কিনতে ও ডলারে দাম পরিশোধ করতে পারবে। এমনকি কালোতালিকাভুক্ত ট্যাংকার থেকেও তেল নিতে পারবে তারা।
গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণের সম্ভাবনা যাচাইয়ে সাড়ে ৩৫ কোটি টাকায় আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আজ বুধবার সরকারি ক্রয় কমিটিতে তা অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, জ্বালানির দাম নিয়ে শীঘ্রই সিদ্ধান্ত হবে এবং পুঁজিবাজারে বড় পরিবর্তন আসছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তেল-গ্যাস আমদানির চাপ এবং জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় আশা প্রকাশ করেছেন।
ঢাকা চেম্বার বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
শুক্রবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইসরায়েল-লেবাননের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মেটাতে’ ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নেওয়ার পর ব্যবসায়ীরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভেস অব কনজিউমারসের পরিচালক জোয়ান হসু বিবৃতিতে বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদন করে ঠিক, তবে অঞ্চল হিসেবে সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদিত হয় মধ্যপ্রাচ্যে।
চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসিতে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। দৈনিক শোধনসক্ষমতা অনুযায়ী এই মজুত দিয়ে আরও ২০ থেকে ২২ দিন উৎপাদন চালানো সম্ভব। তবে নির্ধারিত সময়ে নতুন চালান না এলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারটির উৎপাদনব্যবস্থায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সরবরাহে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ধারাবাহিকভাবে তেলবাহী জাহাজ আসছে দেশে। চলতি এপ্রিল মাসের ২০ দিনে এখন পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস তেল নিয়ে ১২টি জাহাজ এসেছে। এতে মজুত কিছুটা বেড়েছে।