
গ্যাস ও এলপিজির সংকটে রান্নার চুলা জ্বালাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ
এলপিজির সিলিন্ডারের দাম বেশি। পাইপলাইন সরবরাহ করা গ্যাসেরও চাপ কম। ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা।

এলপিজির সিলিন্ডারের দাম বেশি। পাইপলাইন সরবরাহ করা গ্যাসেরও চাপ কম। ভোগান্তিতে গ্রাহকেরা।

সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গ্যাস–সংকটের এ সময়ে তাই কম খরচে কম সময়ে ঝটপট রান্নার সুবিধা পেতে নিতে পারেন ইন্ডাকশন অথবা ইনফ্রারেড চুলা।

ইন্টারকমে বাসার ম্যানেজারকে ফোন দিতেই জানা গেল কোথাও গ্যাস নেই। অন্তর্জালের খবরে জানলাম গ্যাসের লাইনে সমস্যা। সারাতে সময় লাগবে।

এবার উত্তরা টঙ্গী ব্রীজের কাছে শিল্প গ্রাহকের সার্ভিস লাইনের ভাল্ভ ফেটে উচ্চ চাপে গ্যাস লিকেজ হয়েছে।

প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ—দুটোতেই সংকট দেখা দেওয়ায় ঢাকাজুড়ে বাসিন্দারা প্রতিদিনের রান্না চালাতে মারাত্মক সমস্যায় পড়েছেন।

সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।

গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ একেবারেই কমে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় চুলাই জ্বলছে না।

ঢাকা ও আশপাশের শহরে গ্যাস সরবরাহ করে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি।

ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।

সরবরাহ কম থাকার সুযোগে ১ হাজার ৩০৬ টাকার এলপিজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার