
কোরআনের বর্ণনায় পিতৃত্ব
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত আমাদের থমকে দিতে চায়, কিন্তু পবিত্র কোরআন আমাদের শেখায় কীভাবে ধৈর্যের মাধ্যমে প্রতিকূলতা জয় করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়।

কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।

সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।

কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।

বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ–তাআলা নামাজে বিনীত ও মনোযোগী হওয়ার গুরুত্ব এবং এর সুফল বর্ণনা করেছেন। নামাজে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াতের বর্ণনা।

অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?

কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।

পৃথিবীতে মানুষের আগমনই ঘটে সফলতার সন্ধানে। কোরআনের দৃষ্টিতে এই সফলতা কেবল বৈষয়িক প্রাপ্তি নয়, বরং এটি একটি সুসংহত ও দ্বিমুখী প্রক্রিয়া।

কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।

‘নামাজ কায়েম’ বলতে কেবল দায়সারাভাবে পড়া নয়, বরং নামাজের নিয়ম-কানুন, সময় ও একাগ্রতা বজায় রেখে যথাযথভাবে আদায় করাকে বোঝানো হয়েছে।