
আল-আজহারে ঈদ উদযাপন: তাকবির, ত্যাগ ও বৈশ্বিক ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলা
হাজার বছরের ইতিহাস, জ্ঞান, সভ্যতা ও ইসলামী ঐতিহ্যের অনন্য ধারক আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়

হাজার বছরের ইতিহাস, জ্ঞান, সভ্যতা ও ইসলামী ঐতিহ্যের অনন্য ধারক আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়

কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট পরিভ্রমণের শতবর্ষপূর্তি গতকাল রোববার ঘটা করে বর্ণিল আয়োজনে পালন করা হয়। ‘সিংহবাড়িতে কবি নজরুল: শতবর্ষ স্মরণোৎসব’ শীর্ষক এ আয়োজনজুড়ে ছিল কবির সৃষ্টি বন্দনা।

‘বিদ্রোহী’ কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিন উপলক্ষে দুই বাংলায় নানা আয়োজন হয়।

লোকমুখে প্রচার আছে, কাজী নজরুল ইসলাম মাঝেমধ্যে স্কুল ফাঁকি দিয়ে বটগাছের নিচে বসে বাঁশি বাজাতেন। যে বটগাছের নিচে বসে তিনি বাঁশি বাজাতেন, সেটি এখন ‘নজরুল বটবৃক্ষ’ নামে পরিচিত। কবি নেই, কিন্তু বটগাছটি আজও আছে।

১১ মাস ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্য। শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, তদন্ত কমিটি ও প্রশাসনের আশ্বাসের পরও এখনো শুরু হয়নি সংস্কারকাজ।


ফেসবুকের পোস্টের ক্যাপশন, মন্তব্যের ঘর, ইনবক্সের চ্যাট—সব জায়গাতেই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে এই সংলাপ– ‘রাগ করলা’। আসলে এই ব্যক্তি কোনো কবিরাজ নন, তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর।

‘সাহিত্যে কালি ও কলমের টান: সাহিত্যের সঙ্গে চিত্রকলার সংযোগ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী এ কথাগুলো বলেন।

কবিতায় হারিয়ে যাওয়া মানুষের খোঁজ, পাথর ফাটিয়ে উঠে আসা সবুজ লতারার অদম্যতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক। শিশুর চিৎকার থেকে সাদা ডানার পাখি, মধ্যবিত্তের নিরাপদ অস্তিত্ব—জীবনের এই ছবিগুলো কবিতায় ধরা পড়েছে।

ফারসি ও হিন্দি ভাষা ও ‘রেখতা’ শৈলীর কাব্যে সুশিক্ষিত কবি জাফর জাতাল্লি তাঁর কবিতায় মোগলশাহির ক্রমক্ষয়িষ্ণু চরিত্রের সুতীব্র সমালোচনা করেছেন। নির্ভীক, ক্রুদ্ধ, প্রতিবাদমুখরভাবে তিনি লিখে গেছেন

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ঘোষণায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, এ বাংলাদেশ আর সেই বাংলাদেশ নেই। তিনি তিস্তা প্রকল্পে চীনের এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়ন এবং ভারত-চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়েও মতামত দিয়েছেন।

ভ্লাদিমির সলোভিয়ভ (১৬ জানুয়ারি ১৮৫৩—১৩ আগস্ট ১৯০০) ছিলেন রাশিয়ার একজন অসাধারণ দার্শনিক, ধর্মতাত্ত্বিক, কবি ও মরমি চিন্তাবিদ। উনিশ শতকের শেষভাগে রুশ বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে তিনি দর্শন, ধর্ম, কবিতা ও মিস্টিসিজমকে একত্র করে একধরনের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। অনেকেই তাঁকে আধুনিক রুশ ধর্মদর্শনের প্রধান পথিকৃৎ মনে করেন।