বেশি দামেই কিনতে হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার
চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে স্বস্তি এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি।
চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে স্বস্তি এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি।
গত মার্চে বেসরকারি খাত ২ লাখ ১১ হাজার টন এলপিজি আমদানি করে, যা গত বছরের চেয়ে ৩৮ শতাংশ বেশি। এপ্রিলে কেজিতে দাম বেড়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা। সরকারি আমদানিতে অগ্রগতি নেই।
সরকারি দামে কেউ সিলিন্ডার বিক্রি করছেন না। ২ এপ্রিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন দাম ঘোষণা করে।
জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে গাড়ি ও মোটরসাইকেল এলপিজি-সিএনজিতে রূপান্তর বেড়েছে। চাহিদা ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে এলপিজির দামবৃদ্ধি নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। বিইআরসি দাম নির্ধারণ করেছে লিটারে ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি দামে বিক্রি বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিইআরসি এলপিজির দাম বাড়িয়েছে।