এই প্রযুক্তিকে কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিন
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানিসংকট ও লোডশেডিংয়ে কৃষকের সেচকাজ ব্যাহত হচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ।
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানিসংকট ও লোডশেডিংয়ে কৃষকের সেচকাজ ব্যাহত হচ্ছে, বেড়ে যাচ্ছে উৎপাদন খরচ।
জ্বালানির দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ব্যয় বাড়বে, উৎপাদন খরচ বাড়বে। এর চাপ পড়বে পুরো অর্থনীতিতে।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার উপাদী গ্রামের মো. হারুন উৎপাদন খরচ মিটিয়ে বছরের প্রাক্-শীত মৌসুমেই টমেটো চাষ করে আয় করেন প্রায় ছয় লাখ টাকা।
যশোরের মনিরামপুরে আব্দুর রহিম ১০০ টাকার পুঁজি দিয়ে শুরু করে এখন বছরে ২৪০ মেট্রিক টন জৈব সার উৎপাদন করে ১৪ লাখ টাকার বেচাকেনা করছেন; সব খরচ বাদে লাভ ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা।
একনেক সভায় পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে, যার খরচ ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। রাজবাড়ীতে এসব সুসংবাদে দোয়া মাহফিল ও আনন্দমিছিলের আয়োজন হয়েছে। প্রকল্পে পানি সংরক্ষণ ও নদী পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।
পাবনার সুজানগর, সদর ও সাঁথিয়া উপজেলার কৃষকেরা বেশি দামের আশায় পেঁয়াজ মজুত করলেও পচনের কারণে ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছেন। আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে উৎপাদন খরচও উঠছে না বলে অভিযোগ কৃষকদের।
আলুচাষি ও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আলুর বাজারমূল্য কম থাকলেও হিমাগারে সংরক্ষণের ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। এ ঘটনায় উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না তাঁরা।
বর্তমানে প্রতি মণ পেঁয়াজ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ উৎপাদন খরচই ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। সংরক্ষণ ব্যয় যোগ হলে পুরোপুরি লোকসান গুনতে হচ্ছে।
কক্সবাজারের লবণচাষিরা আজ বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। একদিকে উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম দাম, অন্যদিকে প্রকৃতির বৈরী আচরণ—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে প্রান্তিক চাষিরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।
উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন রংপুরের তারাগঞ্জের কৃষকেরা। সংরক্ষণের সংকট ও বাজারদরের ধসের কারণে লোকসানের বোঝায় দিশাহারা চাষিরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ও সরকারি ক্রয়ের দাবি জানিয়েছেন।
আজ উৎপাদন খরচের তুলনায় লবণের দাম অনেক কম। চাষিরা প্রতি মণ ৪০ কেজি ধরলেও মহাজনেরা নেন ৬০ কেজি হিসাবে। সরকারের কোনো নির্ধারিত মাপকাঠি নেই, তদারকিও নেই।