ট্রাম্পের আহ্বানের পর হামলা বন্ধ করল ইরান ও ইসরায়েল
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের সঙ্গে লড়াই বন্ধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোয় ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই ইরানে নতুন হামলার হুমকি দিচ্ছেন। তবে শেষ মুহূর্তে আবার সে অবস্থান থেকে সরে আসছেন। আবার একই কাজ করলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু সরকারের অনেকেই ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, ওল্ড টেস্টামেন্টে ‘আর্মাগেডন’ বা ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ প্রেক্ষাপট ইরান যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সূচিত হতে যাচ্ছে।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
এক তরুণী কথা বলতে রাজি হন। চীন থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছেন তিনি। জানান, যুদ্ধের কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতেই দেশে এসেছেন।
ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছেন। ইরান থেকে ২০০ কর্মী উদ্ধার করা হয়েছে, নতুন কর্মী পাঠানো কমেছে ৫০ শতাংশ। ফিরে আসা কর্মীরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহায়তা চাইছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। জাতিসংঘের কোনো অনুমোদন তো দূরের কথা, কোনো পূর্বঘোষণাও ছিল না। ওই হামলায় ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘যথাযথ প্রচেষ্টায়’ যোগ দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ছয়টি দেশ। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোয় হামলা চালানো হয়।