
যেভাবে নামাজ পড়লে জীবনে সফলতা আসবে
নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’

নামাজ মানুষের জীবন সুন্দর ও আলোকিত করে। নামাজ সফল মুমিনের প্রধান গুণ। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা লাভ করেছে মুমিনগণ, যারা নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত।’

হজের পর যদি একজন মানুষের অন্তরে তাকওয়া বৃদ্ধি পায়, ইবাদতে মনোযোগ বাড়ে, গুনাহের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয় এবং মানবিকতা বিকশিত হয়—তবেই তার হজ সফল।

হজ থেকে ফিরে আসার কয়েক মাস পরই সেই আবেগ ও পরিবর্তনের দীপ্তি ম্লান হয়ে যায়। হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন ধরে রাখতে কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে।

এই বৃষ্টির সময় একজন মুমিনের কিছু করণীয় রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন মুমিন মহান আল্লাহর এই বিশেষ নিয়ামতকে যেমন উপভোগ করতে পারবে, তেমনি এই সময়টুকু তাঁর ইবাদতে শামিল হবে।

কোরআনের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত হেদায়েত, রহমত ও কল্যাণে পরিপূর্ণ। তাই কোরআন তিলাওয়াত করা যেমন ইবাদত, তেমনি এর আদব রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

অনেকেই মনে করেন, মুত্তাকি মানেই এমন ব্যক্তি যার কখনো কোনো গুনাহ হয় না; অথচ কোরআনের শিক্ষা হলো, মুত্তাকি মানেই নিষ্পাপ মানুষ নয়।

যদিও হজ কবুল হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহ-তাআলার এখতিয়ারভুক্ত, তবে যদি কবুল হয়, তবে বাহ্যিকভাবে জীবনে ইতিবাচক কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

আল্লাহর হুকুমের সামনে ব্যক্তিগত ইচ্ছা, আবেগ ও যুক্তি গৌণ। ইবাদতের পেছনের সব রহস্য মানুষের বোধগম্য না হলেও মুমিন তা পালন করেন আল্লাহর আদেশ হিসেবে।

সম্প্রতি কোরবানির এই মহান ইবাদতের সঙ্গে নতুন একটি ব্যাপার যুক্ত হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচিত হতে দেখা গেছে কোরবানির পশুর বিভিন্ন নাম।

হজের খুতবায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও বিশ্বশান্তির জন্য দোয়া করা হয়েছে।

প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।

যিনি তাৎক্ষণিক বা জরুরি ঋণে জর্জরিত এবং পাওনাদার টাকা চাচ্ছে, তার জন্য কোরবানির টাকা জমিয়ে না রেখে আগে ঋণ শোধ করা ফরজ। ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করাকে জুলুম।