অন্তরের রোগ নিরাময়ে কোরআনের ১০ আয়াত
হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।
হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।
সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
কোরআনের যেসব আয়াতে দোয়ার কথা বলা হয়েছে বা আল্লাহর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে সিজদা করার কোনো বিধান নেই।
বিএনপির এমপি আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ কোরআনের আয়াত তিলাওয়াত করে বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রীর শোকর করার কথা বলেন। এর জেরে সংসদে অনির্ধারিত বিতর্ক হয়।
পার্থিব প্রতিযোগিতার এই যুগে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো নিজেকে জিজ্ঞেস করা—আমি কিসের পেছনে ছুটছি? মানুষের প্রশংসা, নাকি আল্লাহর সন্তুষ্টি?
মানুষ শুধু তথ্য গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ করে না; বরং তথ্যের অর্থ, মূল্য, দায় এবং পরিণতি সম্পর্কেও বিচার করতে সক্ষম। তার ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিহিত।
সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ভবিষ্যতে কী হবে, কীভাবে সংসার চলবে—এই ভয় অনেক সময় আমাদের অস্থির করে তোলে। তবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা রিজিকের ব্যাপারে বারবার অভয় দিয়েছেন
কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।
মুসলিম উম্মাহর আত্মিক গঠন ও সামাজিক বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ–তাআলা এই দুই পর্যায়ে কোরআন নাজিল করেছেন। আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য।