চাঁদরাতের আমল ও ঈদের দিনের প্রস্তুতি
রমজান মাস পূর্ণ হওয়ার পর পয়লা শাওয়াল হলো ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদ। শাওয়াল মাসের চাঁদরাতই হলো ঈদের রাত।
রমজান মাস পূর্ণ হওয়ার পর পয়লা শাওয়াল হলো ঈদুল ফিতর বা রমজানের ঈদ। শাওয়াল মাসের চাঁদরাতই হলো ঈদের রাত।
আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাস রমজান। আর ইমানের পরে শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো নামাজ। নফল নামাজের মতো খাস ইবাদতের জন্য দিন অপেক্ষা রাত উত্তম।
কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন আর জিজ্ঞেস করতে থাকেন, কে আছ যে ডাকবে, আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে, আমি দেব।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।
যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
অন্তর যদি ব্যাধিগ্রস্ত বা নষ্ট হয়ে যায়, তবে তার প্রভাব পুরো দেহের ওপর পড়ে এবং আত্মিক শুদ্ধতা নষ্ট হয়, আমল ও আখলাক ধ্বংস হয়ে যায়।
রমজানে কোরআন শিক্ষা করা, কোরআন শেখানোর উদ্দেশ্যে জমায়েত হওয়া এবং অধিকহারে কোরআন তেলাওয়াতে মগ্ন থাকা—এসব আমল বিশেষভাবে মুস্তাহাব ও ফজিলতপূর্ণ বিবেচিত হয়েছে।
সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছু বিশেষ সুন্নত ও আমলের মাধ্যমে এই দিনকে ইবাদতে পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। জুমার দিনের ১০টি বিশেষ করণীয় আলোচনা করা হলো।
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।