গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর সরকার: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।
চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করার আগে থামা, প্রশ্ন করা—কার লাভ হচ্ছে এই গল্পে বা বয়ানে এবং প্রমাণকে আবেগের ওপরে স্থান দেওয়াই এখন গণতন্ত্র রক্ষার প্রধান হাতিয়ার।
সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক দলের নেতা–কর্মীদের বক্তব্য খণ্ডিত করে ধর্মীয় আঙ্গিকে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপনের ঘটনা ঘটছে।
বাংলাদেশকে নিয়ে ৭৩ ভারতীয় গণমাধ্যমের ১৪০ প্রতিবেদনে অপতথ্যের প্রমাণ
এআই দিয়ে তৈরি ছবি-ভিডিও চিনবেন কী করে
ছবি ও ভিডিও ভুল করে সত্যি ভাবার পরিস্থিতি তৈরি করে দিয়েছে এআই। তাতে দেখা মানেই বিশ্বাস করার যে অভ্যাস, তা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই ছবি-ভিডিও দেখে বিশ্বাস করার আগে যাচাই করা প্রয়োজন।
সাইবার বুলিং ও অপতথ্য রোধে আইনজীবী প্যানেল গঠনের পাশাপাশি পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বললেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্তা এবং অপতথ্য ছড়িয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক ফোরামের কার্যক্রম স্থগিত করেছে প্রশাসন।
বন্যার মতো দুর্যোগ, তার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন—গত সপ্তাহে আলোচিত এই দুই ঘটনা ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছে বেশি। তার সঙ্গে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়েও ছড়ায় নানা অপতথ্য।
বাংলাদেশভিত্তিক তথ্য যাচাইকারী পাঁচটি প্রতিষ্ঠান গত সপ্তাহে (৩০ মে-৫ জুন পর্যন্ত) তাদের ওয়েবসাইটে মোট ৮৯টি ফ্যাক্ট চেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুরোনো ভিডিওকে নতুন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে ছড়ানো হচ্ছে অপতথ্য।
রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।