
সরকার স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর: তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অপতথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা জরুরি।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অপতথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা জরুরি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি ব্যবহার শুরুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্যও ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে এমন সব বক্তব্য ছাড়াচ্ছে ফেসবুকে, যা তাঁরা বলেননি।

জাহেদ উর রহমান রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র, গণমাধ্যম তথ্য, অর্থনৈতিক প্রকল্প ও নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

রাষ্ট্র, সমাজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর।

জামায়াত সংসদ সদস্য আমির হামজা তেল সংকট নিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ভুয়া বক্তব্যকে সত্যি ধরে সমালোচনা করেছেন। স্যাটায়ার পেজ থেকে ছড়ানো এই অপতথ্যে মির্জা ফখরুল, শামা ওবায়েদসহ অন্যরাও শিকার হয়েছেন। সম্পাদিত ফটোকার্ডও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

বাংলাদেশে অনলাইন অপতথ্য, উসকানিমূলক কনটেন্ট বা আধেয় এবং এর জেরে বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া সহিংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

বিএনপি সরকারের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে নানা অপতথ্য ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে; অনেকে বিশ্বাস করে সেসব তথ্য শেয়ারও করছেন। তবে ফ্যাক্ট চেকে দেখা যাচ্ছে, এসব তথ্য ভিত্তিহীন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

প্রযুক্তিনির্ভর গুজব ও অপতথ্য যেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনো রকম বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, তার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি।

ফেসবুকসহ অনলাইনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অন্য দলের নারী এবং সার্বিকভাবে নারীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য, অপতথ্য ছড়াচ্ছেন, বাজে মন্তব্য করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়া একটু স্ক্রল করলেই অনেক ফটোকার্ড চোখে পড়ছে ইদানীং। বিশেষ করে এই নির্বাচনকে সামনে নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই ফটোকার্ড নিয়ে চরম যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কে কী বলেছে, সেটা নিয়ে চলছে কাটাছেঁড়া। তবে আমি যেটা দেখতে পারছি, সরাসরি মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর হলো ‘আউট অব কনটেক্সট’ বা প্রসঙ্গের বাইরে গিয়ে একটি ন্যারেটিভ প্রচার করা।