আওয়ামী লীগের ‘ভোট ব্যাংকে’ নির্ধারিত হবে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর ভাগ্য
৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬২ জন ভোটারের আসনটিতে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন চারজন। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৭০ হাজার, যাঁরা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬২ জন ভোটারের আসনটিতে আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন চারজন। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৭০ হাজার, যাঁরা আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। বিএনপির একক প্রার্থী থাকায় প্রথম দিকে তাঁরা এগিয়ে থাকলেও নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, সমীকরণ তত পরিবর্তন হচ্ছে।
মাদারীপুর-১ আসনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে বিজয়ী করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কামাল জামান মোল্লা।
দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ঢাকা–১ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় দলটির ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাঁদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়েছে। গতকাল অনেকে প্রত্যাহারও করেছেন।
চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়নে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে চান চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী, পাহাড়তলী, হালিশহর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান। আজ বুধবার দুপুরে নগরের একটি রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। সাঈদ আল নোমান প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে।
কুষ্টিয়ায় আগের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) ‘ইচ্ছা করে বদলি করে দেওয়া হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ, কানাইঘাট) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে প্রায় ৮৪ হাজার ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আসাদুল হাবিব দুলু।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
১৫০টি কেন্দ্রের সব কটিতে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।