হরমুজ প্রণালিতে কাদের জাহাজ চলবে, কাদের চলতে পারবে না, জানাল ইরান
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা
ইরান তার সীমিত সামর্থ্যকেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘গলার কাঁটা’ বানিয়ে ছেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আতঙ্কিত নন তেহরানবাসী। তাঁরা এই যুদ্ধকে জীবনের যুদ্ধ মনে করছেন। অন্যায় এই হামলার সমুচিত জবাব দিতে চান তাঁরা।
মার্কিন নৌ-অবরোধ ফাঁকি দিতে 'শ্যাডো ফ্লিট' বা গোপন জাহাজের বহর ব্যবহার করে চীনে তেল রপ্তানির প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান।
তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো সমস্যা নেই। তবে হুমকির ছায়াতলে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’ মেটা– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তেহরান এখন সংঘাতের আওতা বাড়িয়ে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কিন্তু তা পারেননি; বরং এখন হরমুজ খুলতে পেরে তাঁকে খুশি থাকতে হচ্ছে।
হামলার পর পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির উপকূল এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম মিত্র ইসরায়েলের উপকূলে পৌঁছে গেছে।
ট্রাম্প এখন ভুল করতে পারেন, যে ধরনের ভুল ২০০৩ সালের পর মধ্যপ্রাচ্যে জর্জ ডব্লিউ বুশকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল।