
টি-২০ বিশ্বকাপের আড়ালে যে ভূরাজনীতিক খেলায় মেতেছে ভারত
আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?

আয়োজক দেশের ঘরোয়া রাজনীতির কারণে ক্রিকেটের শ্বাসরোধ হয়ে মরার দশা হচ্ছে কি না। প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটের রাজনীতিকীকরণ করতে গিয়ে ভারত কি নিজের পায়েই কুড়াল মারছে?

আইসিসির বোর্ড হচ্ছে আইসিসির ‘অ্যাপেক্স বডি’। বাংলাদেশের বিষয়টি নিয়ে আইসিসির কারও এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

আইসিসি এবং বিসিবি এ বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। এর মধ্যে সর্বশেষ বৈঠকটি হয় গত সপ্তাহান্তে ঢাকায়।

দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের আলোচনার কেন্দ্রে ভারতে বাংলাদেশের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে। গ্রুপ ‘সি’তে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে স্কটল্যান্ডই সর্বোচ্চ র্যাংঙ্কিংধারী।

বিসিবি–সংশ্লিষ্ট কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাইছেন না। তবে সূত্রের খবর, বিসিবিকে আইসিসর সময় বেঁধে দেওয়ার আসলে কিছু নেই।

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, অ-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট, বিপিএলের এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ—খেলাময় এক দিন আজ।

(বিসিবি) নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে খেলবে না জানিয়ে ম্যাচগুলো টুর্নামেন্টের আরেক আয়োজক শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিল আইসিসিকে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর, বাংলাদেশের ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছে দেশটির সরকার। প্রয়োজনে বিশ্বকাপ খেলার সিদ্ধান্তও নাকি পুনর্বিবেচনা করবে তারা।

বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে না সরিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করা হলে পাকিস্তানও টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।

বিভিন্ন দেশের স্কোয়াডে থাকা ৪২ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের ভারতের ভিসা নিশ্চিত করতে কাজ করছে আইসিসি।