
বিএনপি ও ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৩
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বিএনপি ও ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের (জামায়াত-এনসিপি) নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় বিএনপি ও ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের (জামায়াত-এনসিপি) নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এই আসনে প্রার্থী ১০ জন। ভোটার চার লাখের বেশি। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি করে দিয়ে সারজিস আলম বলেন, ‘বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীলনকশা কেউ যদি করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে।’

মোট ৫টি দলের ইশতেহার নিয়ে মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়। দলগুলো হলো বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং সিপিবি।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সেনবাগে এনসিপি প্রার্থী সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়ার পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক যুবককে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় সেনবাগের ডমুরুয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মতইন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে নির্বাচনী ভাষণ দিয়েছেন।

পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম গত দেড় বছরে কার কী আমলনামা ছিল, সেটা দেখে আগামী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে প্রচার-প্রচারণা চালানোর সময় অপরিচিত মুঠোফোন নম্বর থেকে তাঁকে এই হুমকি দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এনসিপির এই নেত্রী জানান, পরিবর্তন চাইলে শিক্ষিত, ভদ্র ও যোগ্য মানুষদের রাজনীতির মাঠে নামতে হবে।

‘সোচ্চার-টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের জরিপ বলছে, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির প্রধানেরা নিজ নিজ আসনে এগিয়ে আছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনী পরিবেশ কেমন হতে পারে, তার একটা টেস্ট ম্যাচ গতকাল ঢাকায় দেখা গেছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী কায়দায় পুলিশ তার নগ্নরূপে ফিরে গেছে।

ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।