
যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা ইরানের
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ বন্ধ করল ইরান

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে হরমুজ বন্ধ করল ইরান

হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা এলেও যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের কর্মকর্তারা সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান অবশেষে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিন তেহরান কোনো শুল্ক বা টোল ছাড়াই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে; যার বিনিময়ে ওয়াশিংটন তাদের নৌ-অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনাও শুরু হতে যাচ্ছে।

তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও লেবাননে ইসরায়েলের হামলার কারণে এর আগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।

লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতির পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনার প্রথম পর্ব শুরু করতে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছেন।

গতকাল শুক্রবার লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মতির কথা জানায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার মাস ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাকে স্বাগত জানানো হলেও এটি কিছু কঠিন সত্য সামনে নিয়ে এসেছে।

লেবাননের বিশ্লেষক সারকিস নাওম বলেন, ‘এটি একটি মহা সমঝোতা, যেখান থেকে ফেরার পথ নেই।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন চুক্তিতে ট্রাম্প মরিয়া ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন খামেনি।

ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথগুলো এখনো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই গাজা ছাড়তে পারেন।

ট্রাম্প গত রোববার এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, এই চুক্তি আগামী ১৫ থেকে ২০ বছরের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।