ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন
জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন।
ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন৷
ইরান এখন বুঝতে পারছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো প্রয়োজন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও বুঝতে পারছে যে ইরানের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
স্বাধীনতার পর এই প্রথম জামালপুরের পাঁচটি আসনেই বিএনপি বিজয় লাভ করেছে।
বগুড়া-৭ আসনে (গাবতলী ও শাজাহানপুর) জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৮৬৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরার দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন অধিকাংশ ভোটার।
বিএনপির জয়ী প্রার্থীরা হলেন কামরুজ্জামান কামরুল, নাছির চৌধুরী, কয়ছর আহমদ, নূরুল ইসলাম ও কলিম উদ্দিন আহমেদ।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
বিএনপির প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি–সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।