স্বাস্থ্য পরিচর্যায় ইসলামের ৫টি মৌলিক শিক্ষা
সুস্থ না থাকলে মানুষ ঠিকমতো পার্থিব কাজ যেমন করতে পারে না, তেমনি ধর্মীয় দায়িত্বও পালন করতে পারে না। নিজেকে সুস্থ রাখতে দরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
সুস্থ না থাকলে মানুষ ঠিকমতো পার্থিব কাজ যেমন করতে পারে না, তেমনি ধর্মীয় দায়িত্বও পালন করতে পারে না। নিজেকে সুস্থ রাখতে দরকার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী গাড়ি থেকে নেমে লালগালিচায় হেঁটে উড়োজাহাজে ওঠেন।
আয়োজনের শিরোনাম ছিল, ‘রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন ইন জার্মানি: মুসলিম লাইফ ইন জার্মানি’। বাংলায় বললে, জার্মানির প্রাত্যহিক সামাজিক জীবনে মুসলিমরা তাদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে কতটা অন্তর্ভুক্ত হতে পারছে, তা দেখানো। দেশটিতে সাত দিনের সংক্ষিপ্ত; কিন্তু খুবই ব্যস্ত একটা সফর ছিল—৬ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত।
বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশেষ করে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলোয় মুসলিমদের লক্ষ্য করে গণপিটুনি, ঘরবাড়ি উচ্ছেদ ও মসজিদ-মাদ্রাসা ভাঙচুর বাড়ছে।
সামাজিক জীবনে পরনিন্দা, মানহানি, গালাগালি, অপবাদ দেওয়াসহ পাপ থেকে বেঁচে চলা জরুরি। না হলে বিনোদনের উপকরণ ব্যবহার ধর্মীয় বৈধতা হারাবে।
এই সফরে তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এই নৈশভোজে অংশ নেন।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস চেক সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণি বা তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে বই পড়তে দিলে সে যেন তা বুঝে পড়তে পারে, নিজের ভাষায় তা প্রকাশ করতে পারে এবং শেখার প্রতি আগ্রহী হয়, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছেন তাঁরা।
কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।
বর্তমান যুগে অগ্রসর বিদ্যাচর্চাকে অবহেলা করে মাদ্রাসাশিক্ষার প্রাচীন পাঠ্যক্রমগুলোর মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখে টিকে থাকা যে অসম্ভব, আলেম–সমাজ তা অনুধাবন করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মের ক্ষেত্রেও যে যুক্তি, মননশীলতা, জ্ঞান–বিজ্ঞান ও তর্কবিতর্কের অবকাশ রয়েছে, তার এক নীরব সাক্ষী অতীতের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম, যেখানে যুক্তিবিজ্ঞান ও তর্কশাস্ত্র (মানতেক), দর্শন (ফালসাফা), স্বাধীন বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা ও নিত্যনতুন সমস্যাগুলোর সৃজনশীল সমাধান (ইজতেহাদ) ইত্যাদি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হতো।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।