চট্টগ্রামের যে গ্রামে চাষ হয় কোটি টাকার তরমুজ
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফুলতলী এলাকায় প্রায় ৪০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। মৌসুমে এসব তরমুজ বিক্রি হয় এক কোটি টাকার বেশি।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ফুলতলী এলাকায় প্রায় ৪০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। মৌসুমে এসব তরমুজ বিক্রি হয় এক কোটি টাকার বেশি।
খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদীর পাড়ে দেখা যায় এ দৃশ্য। নদীর এক পাশে পাহাড়, আরেক পাশে সূর্যমুখীবাগানের এ দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। টিকিট কেটে দুই কৃষকের সূর্যমুখীবাগানের ঢুকে কেউ ছবি তুলছেন, সাউন্ডবক্সে গান বাজিয়ে তালে তালে নাচছেন, আবার প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে কেউ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন
সরকারের এই সিদ্ধান্তের একটি মানবিক দিকও রয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, ঋণের দায় থেকে মুক্তি পাওয়ায় প্রান্তিক পরিবারগুলো এখন বাড়তি অর্থ সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করতে পারবে।
দুর্গম পাহাড়ি ঢাল। একসময় সেখানে ছিল সেগুনগাছ আর বিভিন্ন আগাছা। কোনো আবাদ হতো না বললেই চলে। তবে এখন আর এমন নেই। এখন সেই জায়গাজুড়ে বরইগাছ। ডালে ডালে ঝুলছে থোকা থোকা ফল। চার বছরে এই পরিবর্তন এনেছেন রাঙামাটির কৃষক নীলকান্ত চাকমা (৬২)।
চলতি মৌসুমে সুপারি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে এই অঙ্গীকার ছিল। মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে সেই অঙ্গীকার পূরণের সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় গ্রামীণ বীজমেলা।
যশোরের ভবদহ অঞ্চলের বেশির ভাগ বিল ভরে আছে গত বর্ষার পানিতে। বিলের কোথাও কোমরসমান আবার কোথাও বুকসমান পানি।
নির্বাচনের আগে টলটলে কুয়াশার ভেতর ঘুরছিলাম রূপাভুই, লামাগাঁও, বাঙ্গালভিটা, বাসাউড়া, মুঝরাই গ্রামে।
আলু চাষ করে গত মৌসুমে লোকসান গুনেছিলেন চন্দনাইশের কৃষক মো. হারুন। তাই এবার ঝুঁকি কমাতে জমি কমিয়েছেন। ২০ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কেজি আলু তুলেছেন মাঠ থেকে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে দেখেছেন, হিসাব মিলছে না।
দিনাজপুরে সবুজ আর তামাটে রঙের পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর মুকুল। ফাল্গুনের হাওয়ায় কচি পাতার সঙ্গে দোল খাচ্ছে কুশিসহ মুকুলগুলো।
ভবদহ অঞ্চলে প্রায় ২৬৮ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের কাজ চলছে। সাগর থেকে আসা পলি ব্যবস্থাপনার জন্য আরও ২৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।