কোরআনে ‘পিতা’ শব্দের ভাষাগত ব্যবহার
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।
আব্বাসীয়রা তাদের আন্দোলনের মূল স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করেছিল নবী-পরিবারের অধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিকে, যাতে অনারব মুসলিমদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।
এসেছে একটি নতুন হিজরি বছর। নতুন বছরের শুরুই হচ্ছে এমন একটি মাস দিয়ে, যাকে রাসুল (সা.) ‘আল্লাহর মাস’ বলে অভিহিত করেছেন।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোনো মন্দ বিষয় নয়; এর ব্যবহারই একে ভালো বা মন্দের রূপ দেয়। নিজের জীবনের ওপর চড়াও হতে না দিয়ে, এর লাগাম নিজের হাতে টেনে ধরুন।
কর ফাঁকি দিলে তাতে জনগণের হক নষ্ট করার অপরাধও হয়। কেননা, কোটি মানুষের অর্থে রাষ্ট্রীয় সুবিধা ঠিকই ভোগ করছেন, কিন্তু রাষ্ট্রের যে পাওনা, তা পরিশোধ করছেন না।
তাঁর রচিত গ্রন্থগুলো, বিশেষত আল-আকিদাতুত তাহাবিয়া বিশ্বের বহু মাদ্রাসা ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজও গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য হিসেবে সমাদৃত।
জীবনের নিশ্চয়তা না থাকলেও একটি বিষয়ের নিশ্চয়তা আছে—দয়াময় আল্লাহ আমাদের জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন, যা প্রাণ কণ্ঠে পৌঁছে যাওয়ার আগপর্যন্ত বন্ধ হয় না।
নবীজির শিক্ষাদানের একটি প্রধান মাধ্যম ছিল সরাসরি নিজে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া। তিনি যখন কোনো কাজের আদেশ দিতেন, তা প্রথমে নিজে করে দেখাতেন।
উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।
হজের পর যদি একজন মানুষের অন্তরে তাকওয়া বৃদ্ধি পায়, ইবাদতে মনোযোগ বাড়ে, গুনাহের প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয় এবং মানবিকতা বিকশিত হয়—তবেই তার হজ সফল।