
শীতের মৌসুম যাচ্ছে
শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম

শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম

সাহিত্য হলো বহু মানুষের ‘সহিত’ মিলিত হওয়ার বাসনার ফল, আর রস হলো বহু হৃদয়ের একাত্মতার গাঁথুনি। ভাষায় রসের সঞ্চারের দ্বারাই হরেক রকমের মুখ ও হৃদয় সমাজ আকারে সংকলিত হয়।

এই নীরবতা ও উদাসীনতার দায় সাধারণ মানুষের নয়; বরং নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, প্রশাসকদের।

হাতের চুড়িগুলো নিয়ে মৃদু নাড়াচাড়া করতে করতে নীলা বলল, ‘কোম্পানিতে আমরা যারা কাজ করি, তারা সবাই মিলে ইউনিয়ন করেছি কিনা। তার গঠনতন্ত্রটা ছাপাব।’

পড়ছো ডিলান টমাস। “এভরিম্যানস পোয়েট্রি”। সোয়ানসিতে যাচ্ছে বয়ে রিভার তাওয়ে।

চাটাই বিছিয়ে বই বেচছেন চিত্তরঞ্জন সাহা একুশের দিনভর: কী অবাক দুরূহ সেই গদ্যছবি

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ১৬টি ছবি তুলেছিলেন রফিকুল। ভাষার দাবির জন্য ছাত্রদের ওপর গুলি হতে পারে—এটা তাঁর কল্পনাতেও ছিল না।

১৮৩৭ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আইন নং ২৯–এর মাধ্যমে ফারসির পরিবর্তে ওডিশি, বাংলা ও হিন্দুস্তানি (উর্দু) ভাষাকে আদালতের ভাষা করা হয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং ফাগুনের আগুন দ্রোহের আগুন জ্বালায়, সেই তাপে শাসকগোষ্ঠী নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়

কোলেট ডেলাওয়ালার ভাষায়, এই উচ্ছেদ অবৈধ এবং তিনি এটিকে ‘আধুনিক যুগের বই পোড়ানোর’ সঙ্গে তুলনা করেন।

রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে রামমোহন, বিদ্যাসাগরসহ বাংলার রেনেসাঁস-মননের ধারাবাহিক বিকাশ এখানে স্পষ্টভাবে উদ্ভাসিত।

সামনে যানজট যেন হামাগুড়ি দিয়ে এগোয়, লোকজন একে অপরকে গালাগালি করে আর গাড়ির হর্নের শব্দ আকাশ ফুঁড়ে এয়ার-রেইড সাইরেনের মতো বেজে ওঠে।