
রিকশার ভোট চাওয়ায় মাদ্রাসাশিক্ষককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ
আসনটিতে ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ আকরাম আলী ওরফে ধলা হুজুর। ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ।

আসনটিতে ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহ আকরাম আলী ওরফে ধলা হুজুর। ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ।

ভোটারদের ভোটের দিন ফজরের নামাজ পড়ে কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হাসনাত। ফলাফল নিয়ে না আসা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র না ছাড়ার পরামর্শ দেন তিনি।

নির্বাচনের মাঠে প্রার্থীরা নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সমস্যার সমাধানের কথা কেউ বলেছেন, পঞ্চগড়ে তেমন কিছু শোনা গেল না।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অন্যান্য জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এ বছর সহিংসতার হার অনেক কম।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৫ থেকে ২৩ ও ৩১ থেকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে বিস্তৃত এই আসন। বাগমনিরাম, চকবাজার, বাকলিয়া, দেওয়ানবাজার, জামালখান, এনায়েত বাজার, আলকরণ, আন্দরকিল্লা, ফিরিঙ্গীবাজার, পাথরঘাটা, বক্সিরহাট—এগুলো শুধু কয়েকটি এলাকার নাম নয়; এগুলোই চট্টগ্রামের ইতিহাস, বাণিজ্য আর নগরজীবনের কেন্দ্র।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া, পাকিস্তানের ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত, সব মিলিয়ে ক্রিকেট–বিশ্বে তোলপাড়। চলমান এই অস্থিরতা নিয়ে ভারতের নিউজ ১৮ ক্রিকেটনেক্সটের সঙ্গে কথা বলেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান রশিদ লতিফ।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।

নির্বাচনী পথসভায় অংশ নেওয়া লোকজনের জন্য খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করায় জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুল বারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

দুপুর সাড়ে ১২টায় শফিকুর রহমান সমাবেশস্থলে যোগ দেন। তিনি জনসভায় জেলার ১১টি আসনের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দিয়ে সবার জন্য ভোট চান।

যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, তারা ইতিমধ্যে হেরে গেছে বলে উল্লেখ করেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় দিনাজপুর-৬ আসনে (বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট) জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিলবোর্ড ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।

পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ থাকায় মৌলভীবাজারের চা-বাগানগুলোয় নেই চেনা নির্বাচনী আমেজ। মাইকিংও আগের মতো নেই। ফলে ভোট আসছে—এ খবরই যেন ঠিকমতো পৌঁছাচ্ছে না শ্রমিকদের কাছে।