
কুমিল্লার ১১টি আসনে জয় পেলেন কারা, কত ভোট পেলেন
বেশির ভাগ আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ব্যাপক ছিল।

বেশির ভাগ আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ব্যাপক ছিল।

শুক্রবার ইটনা উপজেলার বড়হাটি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শাহি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জয়ী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজয়ী এনসিপি ও পরাজিত বিএনপির প্রার্থী একে অপরের কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে হাতিয়া উপজেলা সদর ওছখালিতে নিজ নিজ বাড়িতে আয়োজিত পৃথক সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এসব অভিযোগ করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনে ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৫০ ভোটের ব্যবধানে ভূমিধস জয় পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলম।

শুরুতে ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য। এরপর নির্বাচিত হয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। পরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই পথচলা নুরুল আমিনের। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে বিএনপির মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।

চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এর মধ্যে বেসরকারি ফলে ৯টিতে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। আরও তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা জিতেছেন দুটি সংসদীয় আসনে। বাকি দুটি আসনে বিএনপির প্রার্থীর ফলাফল আদালতের নির্দেশনায় স্থগিত রয়েছে।

নোয়াখালী ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। আর একটিতে জয় পেয়েছে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বেসরকারিভাবে এসব আসনের ফল ঘোষণা করেন।