ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা: আমাদের পাড়ার দুই দূরদেশ
ফুটবল বিশ্বকাপ বা বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই এই ঘটনাটা মনে পড়ে। একা একা হাসি। আবার একই সঙ্গে একধরনের ধূসরতা ছুঁয়ে যায়। হাজার হাজার মাইল দূরের একটা দেশের হারে আমার দেশের মানুষের এত উন্মাদনা হয় কী করে?
ফুটবল বিশ্বকাপ বা বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই এই ঘটনাটা মনে পড়ে। একা একা হাসি। আবার একই সঙ্গে একধরনের ধূসরতা ছুঁয়ে যায়। হাজার হাজার মাইল দূরের একটা দেশের হারে আমার দেশের মানুষের এত উন্মাদনা হয় কী করে?
অস্তিত্ববাদের সূচনা হয় ১৯২০-এর দশকে জার্মানিতে। এটা বিংশ শতাব্দীর পাশ্চাত্য দর্শনের অন্যতম প্রধান ধারা এবং আজও পশ্চিমা পুঁজিবাদী মতাদর্শে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। অস্তিত্ববাদী দর্শনের ইতিহাসে জঁ পল সার্ত্র (১৯০৫–১৯৮০) একটি উল্লেখযোগ্য নাম। তাঁর অস্তিত্ববাদী দর্শন মানুষের ইচ্ছাশক্তি অনুসন্ধান করে এবং মানব স্বাধীনতাকে কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে। তিনি বিশ্বাস করতেন, মানুষের অস্তিত্ব তার সত্তার পূর্বে আসে। অস্তিত্ববাদকে তিনি মানবতাবাদ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন, যা আজও বাস্তবিক অর্থে গুরুত্ব বহন করে।
‘আনফ্যামিলিয়ার অ্যাফিনিটি’ শিরোনামের এই একক প্রদর্শনী শেষ পর্যন্ত পরিচয় সম্পর্কে কোনো প্রস্তুত বক্তব্য দেয় না। বরং আত্মীয়তা, দূরত্ব, স্মৃতি, শরীর ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কের ধারণাগুলোকে নতুনভাবে ভাবার সুযোগ তৈরি করে। রাগা রহমানের আগ্রহ শিকড় খুঁজে পাওয়ার মধ্যে নয়; বরং শিকড় সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলোকে প্রশ্ন করার মধ্যে। প্রদর্শনীটির গুরুত্বও সম্ভবত সেখানেই।
ক্লিন্টন বুথ সিলি যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশীয় ভাষা ও সভ্যতা বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক। বাংলা সাহিত্যের এই গবেষক লিখেছেন কবি জীবনানন্দ দাশের গবেষণামূলক জীবনী, ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য। ইউপিএল থেকে সম্প্রতি পুনঃপ্রকাশিত হয়েছে তাঁর বই বরিশাল অ্যান্ড বিয়ন্ড: এসেজ অন বাংলা লিটারেচার। ২১ জুন ৮৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিত হলো তাঁর এই সাক্ষাৎকার, নিয়েছেন প্রিয়ম পাল।
তো লত্তাইজু নামটা কিন্তু আমাদের গ্রাম কি আরও পাঁচ গ্রামে পাগলের সর্বনাম। সত্যি বলছি। একটা উদাহরণ দিই: চৈত্রে কি ভাদ্রে গরমের ঠেলায় কেউ অসময়ে পানিতে নেমে বসে থাকলে বলা হয় সে লত্তাইজু। অকারণে কেউ গাছে উঠে পা ঝুলিয়ে বসে থাকলে সে–ও লত্তাইজু। হাম হাম করে এক গামলা ভাত সাবাড় করছে কেউ, সে–ও লত্তাইজু।
মহান ইচক দুয়েন্দে টিয়াদুরে সৃষ্টিজগতের এমন এক প্রবণতার বিমূর্ত ও মূর্তের মিশ্র চিত্র গড়েছেন, যা মানুষের কৃত্রিম শ্রেষ্ঠত্ববাদকে চ্যালেঞ্জ করে। মানুষ কেবল অপরাপর প্রাণ-প্রকৃতি হন্তারকই হয়ে ওঠেনি, এমনকি স্বজাতিকেন্দ্রিকতাও বজায় রাখতে পারেনি, লিপ্ত হয়েছে পরস্পরবিরুদ্ধ চিন্তা ও কার্যক্রমের অর্থহীন লড়াইয়ে, যা সমস্ত ভিন্ন ভিন্ন প্রাণসত্তার বৃহত্তর সম্পর্কজাল বিক্ষত ও ছিন্ন করে।
বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের নেতৃত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য ছিল—বুদ্ধির মুক্তি, তথা বিচার-বুদ্ধিকে অন্ধ সংস্কার ও শাস্ত্রের আনুগত্য থেকে মুক্তি দেওয়া। কেন?
পাগল হাসানের জীবদ্দশায় ‘আন্ধাইরপুরীর মানুষ আমি’ গানটা যতটা প্রচার পেয়েছিল, মৃত্যুর পর তা আরও উজ্জ্বল ও বেগবান হয়। বাউলশিল্পীদের কণ্ঠে তো বটেই, ওয়াজ মাহফিলেও ইসলামি বক্তাদের কণ্ঠে এ গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তোলে।