বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জবাবে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে ইরানে আবারও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনার পর তেল, ব্যাংকিং ও পরিবহন খাতে কিছু ছাড়ের ইঙ্গিত মিলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই কৌশলগতভাবে লাভবান হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুইজারল্যান্ডে বৈঠক হবে। পাকিস্তান ও কাতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জর্জিয়া মেলোনির বিরোধের কারণে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে মানুষের কত বড় ক্ষতি হয়েছে, তা এরই মধ্যে স্পষ্ট। ইরান ও লেবাননে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।
ইরানের সঙ্গে সই হওয়া ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পথ খুলছে; একই সঙ্গে ইরানে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠনের পরিকল্পনাও সামনে এসেছে।
‘মানুষ অনেক মৃত্যু সহ্য করতে পারে’—ফ্র্যাঙ্ক ম্যাককোর্ট তাঁর স্মৃতিকথায় এ কথা লিখেছিলেন।
পরিবর্তনশীল বিশ্বে আধিপত্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
চুক্তির খবরে তেলের বাজারে স্বস্তি