
তিন কারণে যশোরে ছয়টি আসনের পাঁচটিতে বিএনপির পরাজয়
যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

বিক্ষোভরত বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, দুটি নির্বাচনী এলাকাতেই ভোট গণনার তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে, বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক ছিল।

বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয় হয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এসব আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ নিয়ে সারা দেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আটজনের মৃত্যু হলো।

রাজধানীর ১৩টি আসনের পোস্টাল ব্যালটের ভোট গণনা শুরু হয়েছে।

সপ্তাহ দু-এক আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে একজন বিএনপি নেতার সঙ্গে দেখা হলো। উপজেলা পর্যায়ের একজন ত্যাগী নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামীর লোকজন সহিংস পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে এবং অর্থের মাধ্যমে ভোট কেনার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসন। এ আসনে বিজয়ী হতে হলে প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোটের ওপর নির্ভর করতে হবে বলে মনে করেন এখানকার বাসিন্দারা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, পোলিং এজেন্টের সংখ্যার মাধ্যমে প্রার্থীদের সাংগঠনিক শক্তি ও সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় বিএনপি। অন্যদিকে প্রচার শেষ হলেও ঐক্য না হওয়ায় স্বস্তিতে নেই ১১-দলীয় জোট।

জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম দেখে বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি ও তাঁর নেতা-কর্মীরা জনসভাগামী সাধারণ জনগণকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ জামায়াত প্রার্থী সুলতান আহমদের।