ফ্যাসিবাদী কায়দার রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনতে হবে: গোপালগঞ্জে জামায়াত আমির
মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শামীম আহসানকে দলের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দলীয় সদস্য (রুকন) পদও স্থগিত করা হয়েছে।
বরগুনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাথরঘাটা সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাদুড়তলা এলাকার এক ব্যক্তি।
আজ সোমবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
নির্বাচিত হলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে—বিএনপির এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
স্বৈরাচার ঠেকাতে জাতীয় নির্বাচনের দিন অনুষ্ঠেয় গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান।
আজ শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আবদুল বাতেন এসব এলাকায় প্রচার চালান।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ। তবে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বরাদ্দ পেয়েছেন। তাঁর প্রতিনিধি আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা বিভাগীয় কমিশনারের কাছ থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন জহির উদ্দিন আহমেদ। সম্প্রতি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন ও অতীতে আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনটি ১০-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপির জন্য ছাড় দেওয়ার কথা থাকলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টায় নগরের বহদ্দারহাট এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় এনসিপি প্রার্থীকে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আসনটি নেজামে ইসলাম পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কর্মী-সমর্থকদের বাধায় জামায়াতের প্রার্থী তোফায়েল আহমদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারেননি।