ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা: দুই রাতে ১৭০ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত, নিহত ১৪
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েই আলোচনা এগিয়ে নিতে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে বাঘের গালিবাফ আলোচনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে চাইছেন।
মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর অবস্থানস্থল হিসেবে পরিচিত একটি বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পথ খোলা রাখলেও কট্টরপন্থীদের শর্তে সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হচ্ছে ইরানের।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগমনের ৬ দিন পর, ২০ মে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে চীনে স্বাগত জানান। চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২০টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষ একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপনীত হয়
সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।
ইরানের খারগ দ্বীপের কাছে সমুদ্রে বিশাল তেলের আস্তরণ শনাক্ত হয়েছে। এপির পর্যালোচনা করা স্যাটেলাইট চিত্রে গত মঙ্গলবার থেকে শুরু করে শুক্রবারের মধ্যে এটি ৭১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার কারণ এখনো অস্পষ্ট।
তেহরান বলছে, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। অন্যদিকে, ইরানের নতুন প্রস্তাব ট্রাম্প সম্ভবত প্রত্যাখ্যান করছেন।
মোজতবা খামেনির সব নির্দেশনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করে শোনানো হয়।