
ফয়জুল করীম ও মনীষার হার, ছয় আসনেই বিএনপির জয়
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের সব কটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

বরিশাল জেলার ছয়টি আসনের সব কটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুমিন ফারহানা ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন।

সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গণভোটে চারটিতে ‘হ্যাঁ’ এবং একটি আসনে ‘না’ জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে বিজয়ী প্রার্থীদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।

তাঁরা বিশ্বাস করেন, জনগণের যে আস্থা–ভালোবাসা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করবেন।

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র চর্চার ভিত্তি রচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

ভোলার চারটি আসনেই বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

মোট গণভোটের ৬৮ শতাংশ ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে এবং ৩২ শতাংশ ‘না’–এর পক্ষে পড়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডলে তারেক রহমানকে ফোন করার তথ্য জানান।

তাসনিম জারা পেশায় চিকিৎসক। তাঁর ফেসবুক অনুসারী ৭২ লাখ।

ধনী প্রার্থীদের তালিকার শীর্ষে ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

এই ফলাফলকে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন আনোয়ার ইব্রাহিম।