খুলনা-১ ও ৫ আসনে ইতিহাস গড়ে বিএনপির জয়
খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।
খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন নির্বাচিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের হারানো আসনটি ফিরে পেল বিএনপি।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এর পর থেকে কার্যালয়ে দলটির কাউকে যেতে দেখা যায়নি।
প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান চার হাজারের কম। দুটি আসনেই ভোট পুনর্গণনার দাবি বিএনপির দুই প্রার্থীর।
বিএনপির বিদ্রোহী ছিল—এমন ২১টিতে জিতেছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা। ৭টিতে জিতেছেন বিদ্রোহীরা।
মাত্র ৩৮৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ের ঘটনা যেমন আছে, তেমনি দেড় লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের নজিরও রয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী দীপেন দেওয়ান।
প্রায় দুই যুগ পর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বেশির ভাগ আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ব্যাপক ছিল।
যে দুটি আসনে জামায়াত জিতেছে তাঁদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর ব্যবধান ন্যূনতম। বিএনপির নেতা-কর্মীরাই এ ব্যবধানের কারণ ঠিকমতো ধরতে পারছেন না।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন তিন প্রবাসী। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তাঁরা জয়ও পেয়েছেন।
দিল্লিতে প্রথমে ব্যাট করে কানাডা করে ৭ উইকেটে ১৫০ রান। তাড়া করতে নেমে সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯.৪ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।