এবারের বাজেট যেন লুটেরাদের বাজেট না হয়
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।
এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।
বর্তমানে ব্যাংকে বছরে জমা তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আবগারি শুল্কমুক্ত রয়েছে। আগামী বাজেটে সেই সীমা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ফরেন চেম্বার জানিয়েছে, হুটহাট নীতি পরিবর্তন না করে একটি টেকসই পথনকশা থাকলে বিদেশিরা বাংলাদেশে আরও বড় বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন।
ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া, দীর্ঘদিন আয় না থাকা, আইনি কাঠামোর পরিবর্তন কিংবা ভুলবশত টিআইএন গ্রহণ—এসব কারণেই অনেকের কাছে নিবন্ধন বাতিল একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে।
মোটরসাইকেলের ওপর অগ্রিম আয়করের (এআইটি) প্রস্তাবে দেশের লাখ লাখ মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মুঠোফোনসেবা: ১০০ টাকার ৫৬ টাকাই নেয় সরকার
জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের ৭৫তম বার্ষিকীতে বক্তারা আমলাতন্ত্রে বিরাজমান জমিদারি মানসিকতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোটরসাইকেলে অগ্রিম আয়কর আরোপের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—এতে কি মালিকদের বছরে দুবার সরকারকে টাকা দিতে হবে? ১১১ সিসি থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মোটরসাইকেলে ২ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত করের কথা বলা হচ্ছে। এই নীতি রাজস্ব বাড়াবে কিনা, নাকি নিম্ন-মধ্যবিত্তের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে?
রাজস্ব খাত সংস্কারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, তা জাতীয় সংসদে পাসের জন্য তোলেনি বর্তমান বিএনপি সরকার। এখন নতুন বিল আকারে ওঠানো হবে।
ঢাকা চেম্বারের প্রাক্-বাজেট আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, আগামী বাজেটে ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো খড়্গ আসবে না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়েছে, যা সরকারের আর্থিক সক্ষমতা সংকুচিত করেছে। বক্তারা করজাল সম্প্রসারণ, ব্যাংকের ভঙ্গুরতা ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
ঢাকা চেম্বার ২০২৬-২৭ বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা ও সর্বোচ্চ করহার ২৫% করার প্রস্তাব করেছে। সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে প্রাক্-বাজেট সভায় মোট ২৩টি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। এতে মধ্যবিত্ত করদাতাদের স্বস্তি এবং করজাল প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত খরচের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি ঢালাও টাকা ছাপানো বন্ধ করে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছেন। আসন্ন বাজেটে সাধারণ মানুষের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো অব্যাহত থাকবে।